ঢাকা সকাল ৭:৫৪, মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২০ ইং, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সিদ্ধিরগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতার উপর দুই দফায় হামলার অভিযোগ

করোনা মহামারীতে ঈদকে সামনে রেখে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে স্থানীয় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাকারী ও সন্ত্রাসীরা। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পাড়া মহল্লার বসবাসকারী সাধারন জনগন। প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া অপরাধ কর্মকান্ডের মতই সিদ্ধিরগঞ্জে দাবীকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সুলতান বাদশার উপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীরা।

শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এবং রাত ৮টায় দুই দফায় সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১নং ওয়ার্ডের পাইনাদী সিআইখোলা কাঠের পুল এলাকার ওমর আলীর ছেলে একাধিক মামলার আসামী আহাদ (২৮) ও একই এলাকার মৃত শাহজাহানের ছেলে আনিসের (৪৫) নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করে এবং বাড়িঘর ভাংচুরের চেষ্টা চালায়। পরে খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হানিফের নেতৃত্বে পুলিশের দুটি টিম ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করেছেন। আহতরা হলেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সুলতান বাদশা, আলাউদ্দিন পাটোয়ারী, রুবেল, বাবু ও সোহেল। হামলার শিকার সুলতান বাদশা পাইনাদী সিআইখোলা এলাকার নুরুজ্জামান নূরুর ছেলে। সে এলাকায় মাল্টিপারপাস ও গাড়ির ব্যবসা করে। সুলতান বাদশা জানায়, সিআইখোলা এলাকায় একাধিক মামলার আসামী আহাদ ও আনিসের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ ছিনতাই, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজীসহ নানাবিধ অপকর্ম করে বেড়ায়।

গত ৪/৫ দিন আগে সিআইখোলা বালুর মাঠ এলাকা থেকে আহাদ ও রতন সহ তার দলের কয়েকজন ছিনতাইকারী জাকির নামে একজন পিক-আপের চালকের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, একটি স্বর্নের চেইন ও নগদ এক হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে বিষয়টি আমাদেরকে জানালে দুইদিন ঘুরে তাদের কাছ থেকে মোবাইলটি উদ্ধার করে দেই। তারপর থেকেই ওরা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। যদি না দেই তাহলে আমার বড় ধরনের ক্ষতি করবে বলে হুমকি দেয়।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ ইফতারের আগে আমি আমার এক বন্ধুর দাওয়াতে ইফতার করতে রওয়ানা হই। পথিমধ্যে আনিসের গ্রীলের দোকানে পূর্ব থেকে উৎ পেতে থাকা আহাদ, আনিস, রতন, আউয়াল, আউয়ালের ছেলে মিলন, রবিন ও রানাসহ আরো কয়েকজন আমার পথরোধ করে আমার মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নিতে চায়। তখন তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তারা ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাকে কুপ দেয়। এসময় আমি ধারালো অস্ত্রটি ধরে ফেলায় আমাকে জখম করতে পারেনি। দস্তাদস্তির একপর্যায়ে লোকজন এগিয়ে আসলে তারা চলে যায়। পরে তারা রাত ৮টার দিখে প্রায় শতাধিক লেঅকজন নিয়ে আমার বাড়ীতে হামলা করে। এতে আমাদের বাড়ির ভাড়াটিয়া মহিলাসহ আশপাশের লোকজন প্রতিরোধ করলে তারা পালিয়ে যায়। এসময় আমি সহ আমার ৫জন লোক আহত হয়।

এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হানিফ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। উভয় পক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে। আভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান

এ বিভাগের আরও সংবাদ