ঢাকা রাত ৮:২৮, শনিবার, ৩০শে মে, ২০২০ ইং, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংকট মোকাবেলায় সাহসী নাম শেখ হাসিনা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাঙালি জাতির এক প্রেরণার উৎস। তাঁর আদর্শ ও নীতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে পড়ুক,গড়ে উঠুক সৎ, সাহসী, ত্যাগী ও আদর্শবাদী নেতৃত্ব।

তিনি বাংলাদেশ কে একটি ইতিবাচক ও প্রগতিশীল সমাজে পরিনত করার জন্য জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উৎসর্গ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ভাষন কোন জাতির একার সম্পদ নয়, এটা বিশ্ববাসীর সম্পদ। আজ এই ভাষন বিশ্বের নিপিড়ীত -নির্যাতিত মানুষের মুক্তির ডাক হিসাবে পরিনত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ভাষন শুধু রাজনৈতিক দলিল নয়,বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় বিধানের একটি সম্ভাবনা ও কিন্তু। তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলার স্বাধীন সংগ্রামের পথিকৃৎ, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, সাহস ও শৌর্যের প্রতীক।

অসাধারণ দেশপ্রেম, আপোষহীন সততা, অনমনীয় মনোবল ও গভীর দূরদৃষ্টি দিয়ে বাংলার স্বাধীনতা, বাংলার ভাষা, ও বাংলার সংস্কৃতির মধ্যে তিনি চিরকালের জন্য চিরজাগ্রত ছিলেন, আছেন ও থাকবেন অনন্তকাল এই বাংলায়। আর তাঁরই কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১’র আজকের এই দিনে(১৭মে) বাঙালি জাতির ভালোবাসা ও আবেগের প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি পরিবর্তনশীল সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে জাতির পিতার স্বপ্ন, ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দু’লক্ষ মা-বোনের হারানো সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নিজের মাঠিতে ফিরে আসেন। তৎকালীন বাংলাদেশের বিভ্রান্ত ও পথহারা রাজনীতির মধ্যে ও সকল ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেশ কঠিন ও জটিল ছিল। অধিকন্তু তাঁর বাবার মতো তিনি ও ছিলেন ঘাতকের ষড়যন্ত্রের টার্গেট।

একবার নয়,দু’বার নয়, শেখ হাসিনাকে ১৮/১৯ বার হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কখনো বাসভবনে,কখনো জনসভায়, কখনো তাঁর গাড়ি বহরে।নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে পিতার মতোই অবিচল দৃঢ় ও সাহস নিয়ে সকল প্রকার ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দুঃসাহসী সিদ্ধান্তের কারণে সকল অপ -রাজনীতিকে পেছনে ফেলে দেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে। অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ যুদ্ধবিধস্ত দেশ থেকে আজকের এই উত্তরণ, যেখানে রয়েছে এক বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার ইতিহাস। সরকারের রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে একটি চ্যালেঞ্জিং অর্জন।

একমাত্র সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল দুরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের সাহসী ও অগ্রগতিশীল উন্নয়ন কৌশল গ্রহনের ফলে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কাঠামোগত রুপান্তর ও উল্লেখযোগ্য সামাজিক অগ্রগতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে দ্রুত উন্নয়নের পথে নিয়ে এসেছে।

তিনি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দেশের সকল শ্রেনী পেশার মানুষের কল্যানে যুগান্তকারী অবদান ও রুপকল্প “২০২১” এর মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ কে রুপকল্প “২০৪১” এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ, দূর্নীতিমুক্ত, জঙ্গিমুক্ত,অসাম্প্রদায়িক, আত্মনির্ভর একটি মানবিক কল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠনে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য,যোগাযোগ, নারী ও শিশু, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ, কৃষিতে কৃতিত্ব ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, প্রবাসী,জাতিসংঘের শান্তি মিশন,বিদ্যুৎ, শিল্প ও বানিজ্য, সামজিক নিরাপত্তা, ভুমি ব্যবস্থাপনা ও মন্দা মোকাবেলা এই সব উন্নয়ন অর্জনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কে বিশ্বের উচ্চতম স্থানে নিয়ে গেছেন। করোনা প্রতিরোধে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ যা পারে নাই, মানবিক সহায়তা কর্মসূচী ও অন্যান্য মানবকল্যানমুলক গণমূখী সফল কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বাংলায় অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

নিজের জীবন বাজী রেখে দেশী বিদেশি হিংসা ও ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে সকল প্রকার লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে অসম্ভব বাংলাদেশকে সময়োপযোগী ও যুগোপযোগী বাংলাদেশে পরিণত করে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছেন বাঙালী জাতি হিসাবে আমাদের সম্মান ও গৌরবের বিষয় ছাড়া আর কি হতে পারে! “বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ শেখ হাসিনা মানে উন্নয়ন।” লেখক –মোঃ বদরুল ইসলাম শোয়েব রেজিস্ট্রার সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেট।

 

 

লেখক : মোঃ বদরুল ইসলাম শোয়েব রেজিস্ট্রার সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেট

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ

 

এ বিভাগের আরও সংবাদ