ঢাকা সকাল ১১:৪৫, রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং, ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এখনো নিয়ন্ত্রণে করোনা’

বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার মিরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়াম গেটে জীবাণুনাশক স্প্রে কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্বেও আমরা সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার পরিপ্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের বিস্তার পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় নিয়ন্ত্রণে আছে। আমি আশা করি, সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, তা যদি আমরা মেনে চলি, তাহলে আমরা জনগণকে রক্ষা করতে পারব।’

২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলেও ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ থেকে তাদের মনিটরিং করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যারা বিদেশ থেকে এসেছেন তারা যেন ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকে, সেটি দেখাশোনার জন্য আমাদের স্থানীয় কর্মকর্তা কাজ করছেন। ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।’

মনিটনিং ব্যবস্থা আগের চাইতে উন্নত হয়েছে দাবি করে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘যারা বিদেশ থেকে এসেছে তাদের কোয়ারেন্টেইনে থাকার অনীহা আগেও ছিল, এখনো আছে। তবে মনিটরিংয়ের অবস্থা আগের চাইতে ভাল হয়েছে। বিদেশ ফেরতরা এসে যেমন স্থানীয়দের সঙ্গে মিশেছিলেন, এখন সেটি হচ্ছে না। মনিটরিং এবং আইসোলেশনের ব্যবস্থা আগের চাইতে অনেক উন্নত হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিদেশ ফেরতদের মনিটরিংয়ে যে কমিটি করা হয়েছে, তা প্রথমদিকে হয়ত ওইমাত্রায় কাজ করতে পারেনি। যারা বিদেশ থেকে এসেছে, তারাও বুঝতে চায়নি, তাদেরকে বুঝানোও অনেক কঠিন ছিল। তবে এখন অবস্থার উন্নতি হয়েছে।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ক্লোরিন মিশ্রিত পানি ছিটানো কতটা কার্যকর সাংবাদিকদের করা এমন প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে এখনো কেউ কোনো নিশ্চিত অবস্থানে যেতে পারেননি। তবে আমি অনেক দেশ থেকে খবর নিয়েছি, তারা এক শতাংশ ক্লোরিনের সঙ্গে ৯৯ শতাংশ পানি মিশিয়ে ছিটাচ্ছে। আমরাও সেটি করছি। আমরা জানি, ক্লোরিন দিয়ে জীবাণু নষ্ট করা যায়, ভাইরাস নিরাময় করা যায়।’

উত্তর সিটির বেশ কিছু কাউন্সিলরের নানা কর্মকাণ্ড চোখে পড়লেও দক্ষিণের ক্ষেত্রে তেমন কোনো কর্মকাণ্ড দৃশ্যমান নয়। সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের সময় জনপ্রতিনিধিদের সরকারি কর্মকর্তাদের কাজ দৃশ্যমান হওয়া কঠিন। তারা আইসোলেটেড হয়ে, মাঠ পর্যায়ে না এসে, টেলিফোনে কাজ করছে। তারা দৃশ্যমান না মানে যে তারা কাজ করছেন না এমন নয়।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে ডিএনসিসির নব নির্বাচিত মেয়র আতিকুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত মেয়র জামাল মোস্তফাসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ মেহেদী

এ বিভাগের আরও সংবাদ
//graizoah.com/afu.php?zoneid=3354715