ঢাকা সন্ধ্যা ৬:৫২, বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২০ ইং, ২৬শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

৮৩টি যুদ্ধবিমান ক্রয় ভারতের, নজরে চিন-পাকিস্তান

সামরিক শক্তিতে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত।এবার চিন ও পাকিস্তানকে নজরে রেখে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক ৮৩টি তেজস যুদ্ধ বিমান কিনতে চলেছে বায়ুসেনা।

সূত্রের খবর,হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডের (হ্যাল) কাছ থেকে তেজস যুদ্ধ বিমান কিনতে চলেছে বায়ুসেনা। এর জন্য মোট ৩৯,০০০ কোটি টাকার চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। দেশীয় বাজারে এটাই সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি। এই চুক্তির জন্য প্রথমিকভবে ৫৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দাবি করে হ্যাল।

৮৩টি সিঙ্গল সিট তেজস যুদ্ধবিমানের জন্য হ্যাল এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করায় প্রথমে আপত্তি জানিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়। তারপর দাম কমাতে রাজি হয় হ্যাল। এদিকে, ক্যাবিনেট কমিটির কাছে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য চুক্তির খসড়া পাঠানো হয়েছে। ৩১ মার্চের আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন এসে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে এই তেজস বিমানের জোগান দেওয়া শুরু হবে। বর্তমানে যুদ্ধবিমানের অভাবে ভুগছে বায়ুসেনা। যেখানে ৪০টি ফাইটার স্কোয়াড্রনের প্রয়োজন, সেখানে বর্তমানে মাত্র ৩০টি ফাইটার সকুয়াড্রন রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণেই ৮৩টি তেজস আসছে বিমান বাহিনীতে। উল্লেখ্য, এক-একটি স্কোয়াড্রনে ১৮টি করে যুদ্ধবিমান থাকে।

প্রসঙ্গত, তেজস যুদ্ধবিমানটি বানিয়েছে সামরিক বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হ্যাল। ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট’টি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মীত। বায়ুসেনার জরাগ্রস্ত মিগ-২১ বিমানগুলির জায়গা নেবে তেজস। ইতিমধ্যেই একাধিক পরীক্ষায় সফলভাবে উতরেছে বিমানটি।

গতবছর প্রায় ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় রুশ নির্মিত ‘আইএল-৭৮’ জ্বালানিবাহী বিমান থেকে ইন্ধন ভরা হয় তেজসে। স্বল্প সময়েই প্রায় ১৯ হাজার লিটার জ্বালানি পৌঁছে যায় যুদ্ধবিমানটির পেটে। মাঝ আকাশে জ্বালানি ভরে বিশ্বের প্রথম সারির সামরিক শক্তির তালিকায় নাম লেখায় ভারত।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

এ বিভাগের আরও সংবাদ