আজ মঙ্গলবার | ২০ আগস্ট, ২০১৯ ইং
| ৫ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৮ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী | সময় : সন্ধ্যা ৭:৪৭

মেনু

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৮ আগস্ট ২০১৯
৯:৪২ অপরাহ্ণ
37 বার

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান সৌদি আরব এসে উপস্থিত হয়েছেন। বাংলাদেশ থেকেও হজযাত্রীদের শেষ ফ্লাইটের যাত্রীরা এখন মক্কায় অবস্থান করছেন। হজ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার মিনার উদ্দেশে রওনা হবেন হজযাত্রীরা।

পবিত্র হজ পালন করতে আসা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত মুসল্লিরা এশার নামাজ আদায় করে মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দূরে মিনায় যাবেন। সেখানে রাতযাপন হজের অন্যতম সুন্নত। রাতযাপন শেষে মুসল্লিরা সারা দিন মিনাতেই থাকবেন। এখানে জোহর, আসর, মাগরিব, এশা ও ফজরের নামাজ আদায় করা মুস্তাহাব। এখান থেকে পরশু সূর্যোদয়ের পর মুসল্লিরা যাবেন প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে। এ ময়দানে অবস্থান হজের মূল আনুষ্ঠানিকতার একটি (ফরজ)। ইহরামের কাপড় (আড়াই হাত বহরের আড়াই গজ কাপড় আর গায়ের চাদরের জন্য একই বহরের তিন গজ কাপড়) পরে জিকির-আসগারে মিনার পথে চলবেন হজযাত্রীরা।

 

কেউ যাবেন গাড়িতে, কেউ বা হেঁটে। মোয়াল্লেম সূত্র থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার এশার নামাজ আদায় করে মিনার উদ্দেশে রওনা দেবেন তাঁরা। ইহরামের কাপড় পরে এবং অন্যান্য জিনিস সঙ্গে নিয়ে মিনায় যাবেন তাঁরা। ছয় দিন পরে অর্থাৎ হাজি হিসেবে ফিরে আসবেন সবাই। নিয়মমাফিক আগামী শুক্রবার থেকে হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ২০-২২ লাখ হজযাত্রীকে স্বাচ্ছন্দ্যে ও নির্ঝঞ্ঝাটে মিনায় পৌঁছানোর স্বার্থে আজ বৃহস্পতিবার রাত থেকেই তাদের নেয়া শুরু করবেন মোয়াল্লেমরা। প্রত্যেক হজযাত্রীকে মিনার তাঁবু নম্বর সংবলিত কার্ড দেয়া হয়েছে। ওই কার্ড সব সময় গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে। মক্কার আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, হজের সময় মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। আর্দ্রতা থাকবে ৮৫ শতাংশ। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে।

হাজিরা ৮ জিলহজ শুক্রবার মিনায় সারাদিন থাকবেন। ৯ জিলহজ শনিবার ফজরের নামাজ আদায় করে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন। এরপর আরাফাত থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে মুজদালিফায় রাতযাপন ও পাথর সংগ্রহ করবেন হাজিরা। ১০ জিলহজ রোববার ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় ফিরে আসবেন তাঁরা। মিনায় এসে বড় জামারাকে কঙ্কর নিক্ষেপ, কোরবানি ও মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে স্বাভাবিক পোশাকে মক্কায় কাবা শরিফ তাওয়াফ করবেন। তাওয়াফ, সাই শেষে মিনায় ফিরে গিয়ে ১১ ও ১২ জিলহজ অবস্থান ও প্রতিদিন তিনটি শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন।

মোয়াল্লেম দপ্তর থেকে জানা যায়, মোয়াল্লেম নম্বর ৭ ও ৮-এর অধীনে থাকবেন বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আসা হাজিরা। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এজেন্সির মাধ্যমে আসা হাজিরা থাকবেন ৩, ৪, ৬, ১১, ২০, ৫৭, ৫৯, ৬০, ৭৫-৭৭, ৯৯, ১০১, ১০৩ থেকে ১৩৭ মোয়াল্লেম নম্বরের অধীনে। মিনায় হাজিদের সহায়তার জন্য ২৪/৬২ নম্বর তাঁবুতে পাঁচ দিনব্যাপী বাংলাদেশ হজ কার্যালয়ের কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/শ

রোহিঙ্গা নিধন
০১ অক্টোবর ২০১৭ 136246 বার

সুন্দরীর মুকুট হারালেন
০৪ অক্টোবর ২০১৭ 136154 বার

মলিকিউল গবেষণায় রসায়নের নোবেল
০৪ অক্টোবর ২০১৭ 136108 বার