আজ মঙ্গলবার | ২০ আগস্ট, ২০১৯ ইং
| ৫ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৮ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী | সময় : রাত ৮:২৯

মেনু

শিশুদের বাসযোগ্য নগরী উপহার দিতে চান মেয়র আতিকুল

শিশুদের বাসযোগ্য নগরী উপহার দিতে চান মেয়র আতিকুল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট ২০১৯
১:০৬ পূর্বাহ্ণ
24 বার

শিশুদের জন্য বসবাসযোগ্য একটা নগরী উপহার দেয়ার প্রত্যয়ের কথা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। এজন্য মেয়র নগরবাসীদের সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা শিশুদের জন্য বসবাসযোগ্য একটা নগরী উপহার দিতে চাই, আমাদের সহযোগিতা করুন।

সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা শিশু হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে গিয়ে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় নগরবাসীদের উদ্দেশে মেয়র বলেন, এই যে ফুটফুটে ছোট শিশু, এদের কষ্ট সহ্য করা যায় না, ওদের জন্য হলেও আপনারা সচেতন হোন, যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে ওদের জীবনকে ঝুকিপূর্ণ করবেন না। আমরা এই শিশুদের জন্য বসবাসযোগ্য একটু নগরী উপহার দিতে চাই, আমাদের সহযোগিতা করুন। মেয়র এ সময় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং শিশুদের মাঝে ফলের জুস ও খেলনা বিতরণ করেন।

মেয়র বলেন, ‘ডিএনসিসি নাগরিকদের সেবায় সর্বদা নিবেদিত প্রাণ। আমরা আমাদের সমস্ত আন্তরিকতা ও মানবিকতা দিয়ে আমাদের সব সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা এবং সার্বক্ষণিক তদারকিতে আমরা নিশ্চয়ই ডেঙ্গু মোকাবেলায় সক্ষম হব। এখন থেকেই আমাদের বছরের ৩৬৫ দিনই ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করতে হবে এবং এর সঙ্গে ডেঙ্গু রোগের জন্য একটি আধুনিক গবেষণা কেন্দ্র করাও জরুরি হয়ে দাড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, ডেঙ্গু ভাইরাস বছর নতুনভাবে আবির্ভূত হয়েছে যা পূর্ববর্তী বছরের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এবারের রোগীদের মধ্যে ডেঙ্গু শক সিনড্রম বেশি দেখা গেছে যা আগের বছরের তুলনায় রোগটিকে জটিল করে তুলেছে। মশা নিধনের জন্য ডিএনসিসি নতুন কীটনাশক ইতিমধ্যে নিয়ে এসেছে এবং সেটির প্রয়োগ অব্যাহত আছে। শীঘ্রই আমরা এর সুফল পাব বলে আশা করছি।

মেয়র আবারও নগরবাসীর সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নগরবাসী সচেতন না হলে এ দুর্যোগ থেকে মুক্তি অসম্ভব। আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ বাসা-বাড়ি, অফিস, আঙিনা পরিষ্কার না করলে ডেঙ্গু দমন করা সম্ভব হবে না। মনে রাখতে হবে কোনো অবস্থাতেই তিন দিনের বেশি কোনো জায়গায় বা পাত্রে পানি জমতে দেয়া যাবে না।

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ নিয়ে মেয়র আতিকুল বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন বিগত যে কোনো সময়ের চেয়ে এবার সবচেয়ে বেশি প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বর্জ্য অপসারণের জন্য। নিশ্চয়ই আমরা নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্জ্য অপসারণে সক্ষম হব বলে আশা করছি।

তিনি নাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখলে সেখান থেকে মশার বংশ বিস্তারের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে এবং দুর্গন্ধ ছড়াবে যা নাগরিক স্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি। তিনি আবারও সবাইকে ডিএনসিসি নির্ধারিত স্থানগুলোতে পশু কোরবানি ও কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত ব্যাগে ভরে ময়লা নেয়ার ভ্যান সার্ভিসে দেয়ার অনুরোধ করেন।

মেয়র আরও বলেন, আপনারা নির্ধারিত স্থানে কোরবানির বর্জ্য রাখলে ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নকর্মীরা সেগুলো দ্রুত অপসারণ করবে এবং নগরীর রাস্তাঘাট আবার জনসাধারণের চলাচল উপযোগী করে দেয়া সম্ভব হবে।

এ সময় ডিএনসিসি মেয়রের সঙ্গে হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

রবিবারেই থেমে যাবে বৃষ্টি
২১ অক্টোবর ২০১৭ 476105 বার

সুষমা স্বরাজ ঢাকায়
২২ অক্টোবর ২০১৭ 474356 বার

কাঁদলেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ
০৪ অক্টোবর ২০১৭ 409471 বার