আজ সোমবার | ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ইং
| ৬ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০ সফর, ১৪৪১ হিজরী | সময় : রাত ১:৫৭

মেনু

বাবার মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে মিন্নি

বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। ছবি-সংগৃহীত

বাবার মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে মিন্নি

বরগুনা প্রতিনিধি
বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯
১২:৫৬ অপরাহ্ণ
52 বার

বাবার মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে গেলেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আজ আদালতে হাজির হয়েছেন তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার আগেই বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে আসেন তিনি। এর পর আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত বাবার সঙ্গেই আদালতের একটি কক্ষে অবস্থান করেন মিন্নি।

রিফাত হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে শুনানির দিন ধার্য ছিল আজ। পরে অভিযোগপত্রের শুনানির জন্য আদালত দুপুর ২টা সময় নির্ধারণ করলে বাবার মোটরসাইকেলে চড়ে আবার বাসায় চলে যান মিন্নি। তবে আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে বরগুনা জেলা কারাগারে থাকা এ মামলার অপর সাত অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এ বিষয়ে মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, এ মামলার অভিযুক্ত কিশোর মো. নাজমুল হোসেনের জামিন শুনানি হবে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে। এ কারণে মামলার মূল নথি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা ও দায়রা জজ আদালতে নাজমুলের জামিন শুনানি শেষে আজ দুপুর ২টায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার মূল নথি এসে পৌঁছাবে। তাই দুপুর ২টায় এ মামলার অভিযোগপত্রের শুনানির সময় নির্ধারণ করেছেন আদালত।

এ মামলায় জামিনে মুক্ত থাকা আরিয়ান শ্রাবণও আজ আদালতে হাজির হন। তবে এ মামলার সাতজন কিশোর অভিযুক্ত যশোর শিশু ও কিশোর সংশোধনাগারে থাকায় তাদের আদালতে হাজির করা হয়নি।

এদিকে আদালতে মিন্নির হাজির হওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে আদালত প্রাঙ্গণে মিন্নিকে দেখার জন্য ভিড় জমায় উৎসুক সাধারণ মানুষ। আদালত প্রাঙ্গণের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ।

গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও তাদের দমাতে পারেননি। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয় জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। রিফাত হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত মিন্নিসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ২ জুলাই ভোরে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এখন পর্যন্ত ১০ আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

 

ডিবির ৭ সদস্য বরখাস্ত
২৬ অক্টোবর ২০১৭ 62136 বার