আজ সোমবার | ২২ জুলাই, ২০১৯ ইং
| ৭ শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৮ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী | সময় : সকাল ৯:৩২

মেনু

পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ

পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ০৯ জুলাই ২০১৯
৫:৩০ অপরাহ্ণ
13 বার

রাঙামাটিতে টানা চারদিনের বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের শঙ্কা বেড়ে গেছে। ঝুঁকিতে রয়েছে জেলার ৩৩৭৮টি পরিবারের ১৫ হাজারের বেশি মানুষ। প্রশাসন ওইসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে প্রতিনিয়ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে প্রশাসনের চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও তারা মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে বাস করছেন।

তাদের দাবি দারিদ্র্যের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে পাহাড়কে বেছে নিয়েছেন বসবাসের জন্য। বাস করার জন্য সমতল জায়গা কিনে বা নিরাপদ জায়গায় বাড়ি ভাড়া করে থাকার সামর্থ্য তাদের নেই।

এদিকে মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ফলে বিঘ্ন ঘটছে স্বাভাবিক জীবনযাপনে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ব্যবসায়ী এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের।

ভূ-প্রকৃতিগতভাবে রাঙামাটি অঞ্চলটি পাহাড় বেষ্টিত। সমতলের লেশমাত্র নেই। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও গড়ে তোলা হয়েছে পাহাড়ে। তাই সেসব প্রতিষ্ঠানগুলোও ঝুঁকিপূর্ণ আওতায় রয়েছে।

প্রশাসনের তথ্যমতে, রাঙামাটির ৩১টি পয়েন্টকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রাঙামাটি পৌরসভাসহ ১০টি উপজেলায় মোট ৩৩৭৮টি পরিবারের ১৫ হাজারেও বেশি মানুষ ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে রাঙামাটি পৌর শহরের নয়টি ওয়ার্ডে ৩৪টি স্থানে ৬০৯ পরিবারের প্রায় আড়াই হাজার লোক ঝুঁকি নিয়ে বাস করছেন।

ডিসি আরও বলেন, যেকোন দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। খুলে রাখা হয়েছে ২১টি আশ্রয় কেন্দ্র। এর মধ্যে সোমবার রাত থেকে কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২০১৭ সালের ১৩ জুন রাঙামাটিতে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ পাহাড় ধসে সরকারি হিসেবে মতে ৯৮ জন এবং বেসরকারি হিসেব মতো আরো বেশি মানুষ মারা যায়। এছাড়া ২০১৮ সালের ১২ জুন নানিয়ারচর উপজেলার সাবেক্ষং ইউনিয়নে ১১ জন পাহাড় ধসে মারা যায়।

 

বিবি/এমএ

রবিবারেই থেমে যাবে বৃষ্টি
২১ অক্টোবর ২০১৭ 414897 বার

সুষমা স্বরাজ ঢাকায়
২২ অক্টোবর ২০১৭ 413194 বার

রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে হবে
২৩ অক্টোবর ২০১৭ 402799 বার

সবার আগে বাংলাদেশ: সুষমা
২৩ অক্টোবর ২০১৭ 322326 বার