ঢাকা বিকাল ৪:৩৩, সোমবার, ৩০শে মার্চ, ২০২০ ইং, ১৬ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নিষেধাজ্ঞার মাঝেই শুটিং করলেন সিয়াম-পরীরা

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভয়ংকর করোনাভাইরাসের থাবা পড়েছে বাংলাদেশেও। ইতোমধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯। দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত সবকিছু বন্ধ। করোনার ভয়াবহতার প্রভাব পড়েছে বিনোদন জগতেও। কয়েকদিন আগেই ঘোষণা দিয়ে সিনেমা হল, সব ধরনের শুটিং এবং সিনেমার মুক্তি স্থগিত করে দেয়া হয়েছে।

কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে টানা ১১ দিন শুটিং করলেন হালের জনপ্রিয় নায়ক সিয়াম এবং নায়িকা পরীমনিসহ গোটা ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমার টিম। সিয়াম-পরী এই ছবির প্রধান দুই চরিত্র। টিমে ২৫ জন শিশুশিল্পীও রয়েছে। মোট ৫০ সদস্যের টিম। গত ১৩ মার্চ সুন্দরবন অঞ্চলে যান তারা সবাই। ১১ দিন চলে শুটিং। আজ বৃহস্পতিবার গোটা টিমের ঢাকায় ফেরার কথা।

সরকারি অনুদান পাওয়া ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবিটির পরিচালক আবু রায়হান। ১১ দিন শুটিং চলাকালীন সময়ে পরিচালক, নায়ক-নায়িকাসহ সবার মোবাইল ফোনই বন্ধ ছিল। কেউ যাতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন, সে জন্যই ফোন বন্ধ করে রাখেন তারা। করোনার এমন ভয়াবহ পরিস্তিতিতে এতগুলো শিশুসহ সিনেমার গোটা টিমের এভাবে শুটিং করাটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ বলে মত চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের।

তবে এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম বলেন, ‘সিনেমাটির শুটিংয়ের বিষয়ে আমাদের সমিতিতে জানানো হয়েছে। এ ধরনের সংকটময়ক সময়ে শুটিংয়ের যেকোনো ধরনের ক্ষতির দায়ভার তারা নিয়েছে। এছাড়াও গোটা টিম সর্বোচ্চ সতকর্তা নিয়ে শুটিং করেছে বলে আমাদের জানিয়েছে। করোনার জন্য তারা সবদিক থেকে সতর্ক ছিল বলে আমাদের জানানো হয়েছে।’

কিন্তু ২৫ জন শিশুকে নিয়ে ৫০ জনের শুটিংকে ভালো চোখে দেখছেন না পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার। তার মতে, ‘এটা দায়িত্বহীনতার পরিচয়। সমিতি থেকে নিষেধ করা বা না করার কী আছে। আমরা এই পরিস্থিতিতে শুটিং করতে যাওয়াটাই ঠিক মনে করি না। তাদের সেচ্ছায় শুটিং বন্ধ করে দেয়ার দরকার ছিল। যতদূর জানি, গত দুই সপ্তাহে সারাদেশে এই একটি ছবির শুটিংই হযেছে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ মেহেদী

এ বিভাগের আরও সংবাদ