ঢাকা দুপুর ১:১০, শনিবার, ২৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতিবিরোধী অভিযান যে দুই কারণে

দুই কারণে দেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চলছে বলে মনে করেন ইংরেজি দৈনিক দ্য নিউএজ সম্পাদক নূরুল কবীর। তিনি বলেন, প্রথমত সরকার প্রধান (শেখ হাসিনা) নিজে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

যেটা বোঝাই যাচ্ছে। এ সমস্ত দুর্বৃত্তায়ন এবং দুর্নীতির মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের মানুষের কাছে তার এবং তার সরকারের ভাবমূর্তি একটা ভয়াবহ তলানীতে এসে পৌঁছেছে।

দ্বিতীয়ত, সরকারের ভেতর হয়তো নানান ধরনের অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে একপক্ষ আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তার একটা বহিঃপ্রকাশ হতে পারে।

নূরুল কবীর জানান, এই অভিযানের মধ্যে দেখা যাচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট ধরন রয়েছে। অন্যান্য স্থানে না করে যুবলীগ নেতারা বা আওয়ামী লীগের শহরের নেতাদের দিকে নজর দেয়া হচ্ছে।

ফলে এটা অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফসল নাকি সামগ্রিকভাবে ভাবমূর্তি রক্ষার প্রচেষ্টা সেটা এখনো পর্যন্ত পরিষ্কার নয় আমার কাছে।

এদিকে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে কলাবাগান ক্রীড়া চক্র ক্লাবের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজসহ ৫ জনকে আটক করেছে র‌্যাব। সিলগালা করা হয়েছে ধানমন্ডি ক্লাব, এছাড়াও অভিযান চালানো হয়েছে এলিফ্যান্ট রোডের অ্যাজাক্স ক্লাব ও সংলগ্ন একটি ভবনে।

এসব ক্লাবে অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার সঙ্গে জড়িতদের প্রায় সবাই সরকারি দলের সঙ্গে জড়িত থাকার খবর গণমাধ্যমে উঠে আসছে।

এর আগে রাজধানীর নিকেতনের বাসা থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৬ দেহরক্ষীসহ জি কে শামীমকে আটক করা হয়েছে। তার অফিস থেকে নগদ ১০ কোটি টাকা ও ২০০ কোটি টাকা সমপরিমাণের বিভিন্ন ব্যাংকের এফডিআর চেক, বিদেশি মদ ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

র‌্যাবের ধারণা, ঠিকাদারির আড়ালে অবৈধভাবে এসব অর্থ উপার্জন করেছেন জি কে শামীম।

তারও আগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনাসহ নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

এ বিভাগের আরও সংবাদ