ঢাকা সন্ধ্যা ৭:৪৭, বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২০ ইং, ২৬শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

করোনায় প্রভাবে বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের প্রভাবে বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রপ্তানি খাতসহ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যবস্থায়। শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনাসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্যও নীতি সহায়তা প্রয়োজন।

করোনার প্রকোপ ঠেকাতে সাধারণ ছুটিতে গৃহবন্দি থাকতে হবে সারাদেশের মানুষকেই। জীবনযাত্রায় এই স্থবিরতা আভাস দিচ্ছে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ক্ষতির। এরই মধ্যে সবচেয়ে তৈরি পোশাক শিল্পে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি কার্যাদেশ বাতিল হয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বলছে, এই অবস্থা চলতে থাকলে চলতি অর্থবছরে ১ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হারাবে বাংলাদেশ। চাকরি হারাবে অন্তত ৯ লাখ মানুষ। সংকট মোকাবিলায় বেতন ভাতা পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করেছে সরকার। ব্যবসায়ীরা ছয় মাস ঋণ পরিশোধ না করলেও খেলাপি হবেন না।

বিকেএমই প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মেদ হাতেম বলেন, অন্তত মার্চ-এপ্রিল-মে এই তিন মাসের বেতন-ভাতা দেবার একটি ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছে সহায়তা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী। অন্যদিকে রিজার্ভ কাজে লাগিয়ে ১ শতাংশ সুদে তহবিল গঠন, অগ্রীম কর ও ভ্যাট মওকুফের পরামর্শ দিয়েছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন ডিসিসিআই। তবে, বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্র উদোক্তাদের সুরক্ষা দিতে না পারলে হুমকির মুখে পড়বে প্রান্তিক মানুষ।

বাংলাদেশ ব্যাংক আইনজীবি এ এম মাসুম বলেন, ছোট ছোট ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী যারা এনজিওগুলো থেকে লোন নেয়, সেই এনজিওগুলো এখন প্রয়োজনে মিনিমাম রেট দিয়ে চার্জ করবে না।

আগামী বাজেটের জন্য তৃণমূলের মানুষকে রক্ষায় কম প্রয়োজনীর প্রকল্প বাদ দিয়ে সামাজিক সুরক্ষায় বেশি ব্যয় করার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

বিজনেস বাংলাদেশ/ আরিফ

এ বিভাগের আরও সংবাদ