ঢাকা রাত ৯:৩০, বুধবার, ২৯শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং, ১৫ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ইরাক-ইরানে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০৭ জন

ইরাক-ইরান সীমান্তের বিস্তীর্ণ এলাকায় রবিবার রাতের ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ২০৭ জন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র বেহনাম সাঈদি জানিয়েছেন, ১,৭০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে জানায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল পূর্ব ইরাকের হালাবজা শহর থেকে ৩১ কিলোমিটার দূরে। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৩। ভূমিকম্পের ফলে পশ্চিম ইরানের মেহরান ও ইলম শহরে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে ৩৫টি উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে নিহতদের বেশিরভাগই ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় কেহেরমান প্রদেশের।

ভূমিকম্পে আরো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ইরান সীমান্তবর্তী ইরাকের আধা স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্থানের সুলাইমানিয়া প্রদেশের পেঞ্জভিনে। এলাকাটি ইরানের সঙ্গে প্রধান সীমান্ত ক্রসিংয়ের সন্নিকটে।

ইরানের সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ভূমিকম্পে অন্তত ১৪টি প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কারমানশাহ-সহ বেশ কয়েকটির অবস্থা উদ্বেগজনক। সে সব এলাকায় উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। তবে কম্পনের ফলে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ইরাক সরকারের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি।

ভূপৃষ্ঠের ৩৩ দশমিক নয় কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হওয়া ভূমিকম্পটি ইসরায়েল ও কুয়েতেও অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ইরানের বেশির ভাগ অঞ্চল অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ। মাঝে মধ্যেই কম্পন অনুভূত হয় এখানে। ২০০৩ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পের স্মৃতি এখনও টাটকা। সেই সময়ে ৬.৬ মাত্রার কম্পনে ঐতিহাসিক শহর বাম পুরোপুরি মাটিতে মিশে যায়। প্রাণ হারিয়েছিলেন প্রায় ২৬ হাজার মানুষ।

>>ইরান-ইরাক সীমান্তে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১০০, আহত ১০০০

এ বিভাগের আরও সংবাদ