আজ মঙ্গলবার | ২০ আগস্ট, ২০১৯ ইং
| ৫ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৮ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী | সময় : রাত ৮:১৪

মেনু

আমরাইদের কোরবানির পশুর হাটে কেনাবেচায় ভোগান্তি

আমরাইদের কোরবানির পশুর হাটে কেনাবেচায় ভোগান্তি

আসাদুল্লাহ মাসুম,কাপাসিয়া:
শনিবার, ১০ আগস্ট ২০১৯
৫:৫০ অপরাহ্ণ
106 বার

কাপাসিয়ার ঐতিহ্যবাহী আমরাইদ বাজার পশুর হাটটিতে ভোগান্তি এবার চরমে পৌঁছেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি জমে যাচ্ছে। কাদাপানিতে দাঁড়িয়ে পশু কেনাবেচা করছে মানুষ। হাটটির আজো কোনো অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। পানিনিষ্কাশনের কোনোব্যবস্থা নেই, নেই কোনোছাউনি ও টয়লেটের ব্যবস্থা।

কোরবানি ঈদের কারণে লোক সমাগম ও বেশি পরিমাণে পশু আনা হচ্ছে হাটে। ফলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে উঠছে। যদিও প্রতি বছর প্রায় কোটি টাকায় হাটটি ইজারা দেয়া হয় এবং নিয়ম অনুযায়ী ইজারার ১৫ শতাংশ টাকা উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ থাকে।

উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের রাস্তার পাশে অবস্থিত এখানে প্রতি মঙ্গল বার ও শুক্রবার পশুর হাটবসে। কোরবানি ঈদের সময় আশপাশের জেলা থেকেও মানুষ পশু কেনাবেচা করতে আসে। প্রতিহাটে দেড় থেকে দুই হাজার গরু কেনাবেচা হয়।

গত মঙ্গলবার হাটের ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়ে, ক্রেতা-বিক্রেতারা জুতা হাতে নিয়ে কাদা পানি মাড়িয়ে হাটে ঘুরাফেরা করছেন। কোথাও কোথাও প্রায় এক ফুট কাদায় বসে যাচ্ছে পা।

পার্শ্ববর্তী কিশোরগঞ্জ জেলা থেকে কোরবানির পশু কিনতে আসা আওয়াল, মনোহরদী থেকে আসা উসমান, আতাউর রহমান সহ অনেকে জানান, পশু কিনতে এসে বিপদে পড়েছি! হাটজুড়ে কাদাপানি। প্যান্টহাঁটুপর্যন্ত গুটিয়ে ও হাতে জুতা নিয়ে নেমে পড়েছি।

ইসমাইল হোসেন, জালাল সহ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, এভাবে কাদার মধ্যে আর কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকাযায়! হাট ইজারাদার তো ১ টাকাও কম নিচ্ছে না। অথচ হাটে বেচাকেনার কোনো পরিবেশ নেই। জেলার সবচেয়ে বড় হাট বলে ক্রেতারা এখানেই বেশি আসেন। তাই আমাদেরও এখানেআসা ছাড়া উপায় নেই।
কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, সরকারিনীতিমালা অনুযায়ী, ইজারার ১৫ শতাংশ টাকা সংশ্লিষ্ট হাটের রক্ষণা বেক্ষণ ও উন্নয়ন কাজে খরচ করার কথা। সে হিসেবে প্রতি বছর টাকা উন্নয়ন কাজে খরচ করার কথা। কিন্তু তা কখনই করা হয়নি।

বাজারের নানা সমস্যা ও রওনার টাকা বেশি আদার এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে রায়েদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল হাকিম মোল্লা হিরণ বলেন, আমি এব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি না।

এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা: ইসমত আরা বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই পশুর হাট টিতে কাদা পানি জমে ক্রেতা-বিক্রেতার ভোগান্তি হয়। কিন্তু সবসময় হাটের জন্য বরাদ্দ না থাকায় উন্নয়ন কাজ করা যায়না। এবার বিষয়টি আমার নজরে এসেছে, এ নিয়ে ইজারাদারের সঙ্গে কথা বলে। এ অবকাঠামো সমস্যা সমাধানের দ্রুতই পদক্ষেপ নেয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

সড়ক দুর্ঘটনায় নারী নিহত
২৪ অক্টোবর ২০১৭ 265282 বার

সাতক্ষীরায় সার্কিট হাউজে আগুন
২১ অক্টোবর ২০১৭ 251206 বার

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে তীব্র যানজট
২৩ অক্টোবর ২০১৭ 250867 বার

২ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক
২৩ অক্টোবর ২০১৭ 250706 বার

সীতাকুণ্ডে অস্ত্রসহ গ্রেফতার
২৩ অক্টোবর ২০১৭ 250276 বার